Believers in Change

I AM

image
Hello,

I'm Gausul Azum

I found myself as a mixed trait parson and my everything depends on a situation, as I say I am somehow the middle of introvert and extrovert. It looks me a long time to get along with people but when I feel comfortable with someone, I could be so hilarious. I am not a party boy but at the same time cracking jokes is my hobby. I do know that I’m a good listener and I adore long deep and meaningful conversations.
On the other, my family says that I'm very Strict and bossy and again they say I can be reliable when I need it most. But I think I'm an easy going person, in reality, not for everyone!. However, Once motivated I am unstoppable on the way to my goal. And I can do anything to protect my family, friends, something I like most.
whatever I'm mixed trait person but there some things I know for sure that I have, once is religiousness, I'm always trying to skip those things that Religionist Although I'm not a good practicing Muslim. I didn't affect by the hunger and sleep on my working time even though I was so tired. I perfectly spend my free time reading books. I practice punctuality and hate being late. I fear to be Disgraced...


Education
Daffodil International University

Bachelor of Business Administration

Mejor in Finance

CGPA: 3.56

Dhap Satgara Baitul Mukarram Model kamil Madrasah

Department of Science

GPA: 4.92

BoroDorga Shah Ismail Gazi (RA) Fazil Madrasah

Department of Science

GPA: 5.00


Creative IT Institute Bangladesh

Web Design

Certified


My Skills
Industry Knowledge

Financial Analysis, Research, Digital Marketing, Strategic Planning

Tools and Technologies

Web Design, SEO, Graphincs Design, MS Office, Video Editing, Photography

Interpersonal Skills

Leadership, Communication, Flexibility, Adaptation

Language

Bangla, English, Hindi

355

Book Read

27

Travel

05

Projects

150

Photos Made

WHAT CAN I DO

Finance

roles in accountancy firms, investment and high street banks, insurance firms, management consultancies is my terget area

Management

I believe learning as fast as the world is changing and putting first things first made success in management

Graphic Design

Graphic design combine art and technology to communicate ideas through images and I love it

Search engine optimization

The process of affecting the online visibility of a website or a web page in a web search engine's Check here

Photographic

for me Photography is a way of feeling, of touching, of loving. I know it remembers little things, long after you have forgotten everything

Web Design

I'm Certified web designer. have an experience on work with both foreign and domestic clients

Books I've Recently Read

My Blog Posts

জোটে যদি দুটি পয়সা







জোটে যদি মোটে একটি পয়সা খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি’
দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী!
(ফুলের ফসল-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)

আজকের দিনে মানুষের তেমন ক্ষুধার তাড়নায় ঘুরতে দেখা যায় না, এখন মানুষের খাদ্যের অভাব নেই বললেই চলে, অভাব শিক্ষার, অভাব নয় অপর্যাপ্ততা বলা যেতে পারে । এক সময়ের খাদ্য ঘাটতি আমাদের উপমহাদেশের মানুষের জিনে এমন ভাবে বাসা বেধে আছে যে, জীবন শুরু হবার আগেই খাদ্যের চিন্তা, পরিকল্পনা, ব্যাবস্থা নিয়ে ব্যস্ত আমরা ।

আমরা ছাত্ররা আর ভার্সিটিতে শিক্ষা নিতে আসিনা, আমরা আসি ভালো চাকরি পাবার কোর্স করতে। এখন শেখানোর, শেখার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে । আমাদের চিন্তায় আসে, এই কোর্স করলে বাস্তব জীবনে কি কাজে লাগে, কত টাকা আয় হবে, চাকরি পাওয়া যাবে কিনা, সামনের দিনের চাহিদা কেমন ।
এগুলোয় এখন শেখানো হয় এই প্রজন্মকে, ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হতে হবে বড় চাকরি করতে হবে ক্ষুধার জ্বালায় টাকা ঢালতে হবে । ব্যাপার যেন আমরা এখনো সেই দুর্ভিক্ষ সময়ের মত খাবারের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি, আমরা এখনো উপরে তাকাতে ভয় পায়, তাইতো শত শত বেকার চাকরির আসায় বসে থাকি ।
সবাই এমন নয় যে ক্ষুধার জ্বালায় ভালো চাকরি খুঁজছে, বরং সমাজে লোক দেখানো, বড়াই করা, স্টাটাস টিকিয়ে রাখতে এই চাকরি যুদ্ধ । আমরা পড়ি না, আমরা চাকরির বই পড়ি । চাকরি পেতে কত শত বই পড়ি, বছরের পর বছর বেকার থাকি । তবুও শিখি না

অনুরাগীদের এখন ফুল কিনতে তেমন হয় না, আর সময়ই এত কই, তাছাড়া সোসাল মিডিয়ার কল্যানে এখন ইমোজিতেই বা গিপি আকারেই ফুল দেয়া যায় । কষ্ট করে ভ্রমন করতে হয় না, মুহুর্তেই খোঁজ খবর নেয়া যায়, করা যায় ভিড়িও কলিং, দেখে নেয়া যায় লাইভ ।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাবু আপনি যদি এ যুগে থাকতেন তাহলে হয়তো অন্য কোন ভাবে বলতেন-

"বাঁচে যদি একটি পয়সা বই কিনিয় শেখার লাগি
দুটি যদি বাঁচে অর্ধেকে তার ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী!"

-----------------------------
পাও যদি একটি পয়সা বই কিনিয় শেখার লাগি
পাও যদি দুটি অর্ধেক রাখিও ভ্রমনের লাগি, হে অনুরাগী

আমার ফুল কেনা হয় না, ইচ্ছা হলে ফুল বাগান থেকে ঘ্রাণ নিয়ে আসি, আমার মনে হয় একটি ফুল থেকে শুধু একজনই ঘ্রাণ নিবে এমনটা হওয়া উচিত নয়, তাই ফুল না কিনে ভ্রমন করি ।

Bangladesh Air Force (BAF) Museum visit 2019


Bangladesh Air Force museum

আকাশে বিমানের শব্দ শুনলে কি এখনো তাকান আকাশের দিকে ? খোঁজার চেষ্টা করেন ?
বলছিনা আপনি এখনো বিমান দেখননি বা ওঠেননি, আসলে একটি যন্ত্র আকাশ দিয়ে উড়ে উড়ে চলে এ ব্যাপারে আমাদের কৌতুহলের এখনো কমতি হয়নি । আমি এখনো শব্দ পেলেই খুঁজতে শুরু করি, একটা সময় ছিলো যখন দৌঁড়ে বের হতাম, পাড়ার ছেলে মেয়ে সবাই বের হতো, বয়স্করাও বের হতো । কারো আগ্রহ পুরনে আর কারো আগ্রহ বাড়াতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনির এই জাদুঘর এর সৃষ্টি, দেশের  হতিহাস, ঐতিহ্য আর আহংকারের সাথে সম্পর্কিত সকল সৃতি বিজড়িত বিমান, হেলিকপ্টার দিয়ে সাজানো হয়েছে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এই জাদুঘর ।
আমাদের মধ্যে যাদের কৌতুহল এখনো জমে আছে তাদের কৌতুহল কে কিছুটা হলেও লাঘব করবে এই জাদুঘরটি ।


তাছাড়া ছোট ছেলে মেয়েদের বিমান নিয়ে আগ্রহ বাড়াতে এবং তাদের এই সেক্টরে নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে এই মিউজিয়ামটি । যদি আপনি আপনার সন্তানকে অ্যারোনটিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং কিংবা রকেট সাইন্স নিয়ে পড়াতে চান, তবে এখানে তাকে সবার আগে ভ্রমন করানো জরুরি । কারন মানুষ মন থেকে যা করতে চায় বা যার উপর আগ্রহ বেড়ে যায় সে বিষয়টি নিয়ে কাজ করা এবং সফল হওয়া অত্যন্ত সহজ হয়ে যায় ।

বিমান জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৪ থেকে তবে এখনকার সংগ্রহ গুলো অনেক পুরাতন এবং জাতীয় অমুল্য সম্পদ যা এই জাদুঘরটি না থাকলে হয়তো আমরা কোনদিও দেখতে পেতাম না । স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও, মুক্তিযুদ্ধে ব্যাবহৃত বিমান দেখতে পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার । অনেক আবেগেরও বটে কারন এই বিমান গুলোর মাধ্যমেই আমাদের স্বাধীনতা এসেছে ।
দেশের প্রথম যাত্রিবাহি বিমান বলাকা, ১৯৫৮ সালে আসা প্রথম বিমান, যা দেখার এবং উঠার স্বাদ মিটাবে এই জাদুঘর  ।



এছাড়ও রকেট সহ আরো অনেক বিমান এবং হেলিকাপ্টার দেখতে পাবেন এই জাদুঘরে । জাদুঘরেই শিশুদের জন্য রয়েছে মিনি শিশুপার্ক । মাত্র ৫০টাকা প্রবেশ মুল্যেই ঢাকার কোলাহল এড়িয়ে একটা দিন পরিবারের সবাইকে নিয়ে সময় কাটানোর জন্য একটি সুন্দর চয়েস হবে এটি । তাছাড়া পাশেই রান ওয়ে হওয়ায় বিমানের উঠানামা দেখতে পাওয়া যাবে এখানে ।

আমার তোলা বিমান জাদুঘরে তোলা কিছু ছবি -










বই মেলা ২০১৯ ( আমার ক্রয় লিষ্টে থাকবে যে সব বই )


Book Fair 2019 ( Gausul Azum's Blog)









বইমেলার জন্য একবছর অপেক্ষা করা আসলেই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার, তবুও বই মেলা প্রতিবছর এসে আমাদের এই অপেক্ষার বেদনা মিটিয়ে যায় । এবারো অপেক্ষার পালা শেষ, বইয়ের লিস্টও করা শেষ । গত বছরের বুক সেভিংস পাত্রটি খুলে দেখি ২০০০ টাকা, নিজেকে, নিজেই ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছে হচ্ছে । এমনিতেই এই মাসে হাতে কিছুই নেই, তাতে আবার বেশ কয়েকটা ভ্রমনও সেরে দেয়া হয়েছে, এই মুহুর্তে এই পাত্রটি মুখে হাসি এনে দিয়েছে । এখন একটা শুভদিনক্ষন দেখে কাজটা সেরে নেয়া যাক । তার আগে আসুন দেখি এবারের বই মেলায় নতুন এবং পুরাতন প্রকাশিত বই গুলোর মধ্যে কোন গুলো কিনবো বলে সিলেক্ট করেছি -



১।  নামঃ  কেভ অব ডেথ
     লেখকঃ প্রসেনজিৎ রায়
     প্রকাশনিঃ ভূমিপ্রকাশ


২। নামঃ রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি
     লেখকঃ নাজিম উদ্দিন
     প্রকাশনিঃ বাতিঘর



৩। নামঃ দ্য থিওরি অব এভরিথিং
     লেখকঃ স্টিফেন হকিং অনুবাদঃ আবুল বাসার (সাংবাদিক)
     প্রকাশনিঃ প্রথমা প্রকাশন

৪। নামঃ ভাল্লাগে না
     লেখকঃ আয়মান সাদিক
     প্রকাশনিঃ আদর্শ পাবলিকেশন্স

৫। নামঃ সানজাই-ই উমসান
      লেখকঃ প্রিন্স মুহাম্মদ সজল
      প্রকাশনিঃ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স


৬। নামঃপ্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
      লেখকঃ আরিফ আজাদ
      প্রকাশনিঃ সমকালীন প্রকাশন




৭। নামঃ মোসাদ ২
     লেখকঃ কায়কোবাদ মিলন
     প্রকাশনিঃ আবিস্কার পাবলিকেশন্স




৮। নামঃ বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
     লেখকঃ মুহম্মদ আবদুল হাই
     প্রকাশনিঃ স্টুডেন্ট ওয়েজ



৯। নামঃ মস্তিষ্কের ক্যানভাস
     লেখকঃ সোলায়মান সুখন
     প্রকাশনিঃ অধ্যয়ন



১০। নামঃ নিখোঁজ কাব্য
       লেখকঃ সালমান হক
       প্রকাশনিঃ বাতি ঘর



১১। নামঃ শরৎ চন্দ্র রচনাবলী
       প্রকাশনিঃ ঐতিহ্য প্রকাশনী



১২। নামঃ বাংলাদেশ রক্তের ঋণ
       লেখকঃ অ্যান্থনী ম্যাসকারেনহাস
       প্রকাশনিঃ হাক্কানী পাবলিকেশন্স



১৩। নামঃ পেন্ডুলাম
       লেখকঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
        প্রকাশনিঃ বাতিঘর



১৪। নামঃ দুজন দুজনার 
       লেখক : মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
       প্রকাশনিঃ মাকতাবাতুল আযহার 



১৫। নামঃ আদর্শ মুসলিম 
        লেখক : ড. মুহাম্মাদ আলী আল হাশেমী
        প্রকাশনিঃ সবুজপত্র পাবলিকেশন্স



১৬। নামঃ আল আদাবুল মফরাদ 
        প্রকাশনিঃ আহসান পাবলিকেশন




১৭। নামঃ হায়াত কিভাবে দীর্ঘায়িত করবেন 
       লেখক : ড. মুহাম্মাদ ইবরাহীম আন নাঈম
       প্রকাশনিঃ সবুজ পত্র পাবলিকেশন্স 



১৮। নামঃ প্রিয়তমা 
        লেখক : সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর
        প্রকাশনিঃ নবপ্রকাশ 



১৯। নামঃ নট ফর সেল 
       লেখক : রেহনুমা বিনত আনিস
       প্রকাশনিঃ সিয়ান পাবলিকেশন 









আপনি আপনার পছন্দের বইটি আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন  এবং এখানকার কোন বই আপনার লিস্টের বইয়ের সাথে মিলে গেলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । ধন্যবাদ ।


Updateing...

Books I read in January 2019


book list january 2019

From the very beginning of this year, I start reading books to fulfill my 100 books reading target this year. I start with very slow and finished 5 books in the first month.













দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য 
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ ইউনূস
বিষয়ঃ অর্থনৈতিক গবেষনা এবং পরিসংখ্যান









হুজুর হয়ে হাসো কেনো?
লেখকঃ হুজুর হয়ে টিম
বিষয়ঃ ইসলামি গল্প

















সৈয়দ মুজতবা আলী সিরিজের (প্রথম খন্ড)
বিষয়ঃ সহিত্য সমগ্র













হ্যাপি থেকে আমাতুল্লাহ 
লেখকঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারূক
বিষয়ঃ নারী সম্পর্কিয় এবং জীবনী

















অ্যা লেটার টু অ্যাথিইস্ট
লেখকঃ মুগনিউর রহমান তাবরীজ
বিষয়ঃ ইসলামি গবেষণা, সমালোচনা ও প্রবন্ধ



ফেব্রুয়ারি মাসে পড়া বই সমূহ দেখুন । - Click Here

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ভ্রমন - ২০১৯

Baliati Jamidar Bari
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

জানুয়ারিতে পঞ্চগড় ট্যুর করে আসলেও মন যেন বসে থাকতে চায় না, যদিও এর মাঝে বানিজ্যমেলা, বিমান জাদুঘর থেকে টু মেরে আসেছি তবুও একদিনের একটা ট্যুর করতে খুবই মন চাইছিলো । কোথায় ট্যুর করা যায় ভাবতে ভাবতে মনে পড়ে গেল ঢাকায় থাকলেও, ঢাকার খুব কাছের জেলা মানিকগজ্ঞে আমার এখনো যাওয়া হয়ে ওঠেনি । তাই একরকম সিদ্ধান্ত নিলাম তাহলে এবার মানিকগজ্ঞেই যাওয়া যাক ।
আর সত্যি সত্যি একদিনের ভ্রমনের জন্য সুন্দর একটি জায়গাও পেয়ে গেলাম "বালীয়াটি জমিদার বাড়ি"
সপ্তাহের সাত দিনের ছয় দিনই ক্লাশ থাকলেও শুক্রবার দিনটা যেন চেয়ে থাকে আমার দিকে, নিয়ে যেতে চায় নতুন কোথাও । তাইতো শুক্রবারকে শুভদিন মনে করে মানসিক ভাবে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেল্লাম এবং ভ্রমন সংগী হিসাবে দুই জনকেও ম্যানেজ করে ফেল্লাম ।

শুরু হলো জমিদার বাড়ির দিকে যাত্রা- 

সত্যি কথা বলতে কি এই জমিদার বাড়িটি আমার মন কেড়েছে, মনের ভিতর একধরনের আঙ্খাকা জন্মিয়ে দিয়েছে । সত্যিই জমিদার বাড়িটি নিজেই তার সৈন্দর্যের প্রমান । যে কথা বলছিলাম, মানিকগজ্ঞ ঢাকার খুব কাছেই হওয়ায় খুব সহজেই এখানে যাওয়া য়ায় । গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস ধরে অথবা নবিনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে সাটুরিয়া যাবার সরাসরি বাস পাওয়া যায় ।
গাবতলি থেকে জনপ্রতি ৭৫ টাকা ভাড়া আর নবিনগর থেকে জনপ্রতি ৪০টাকা । যে বাস গুলো যাবে যেমনঃ এস বি লিংক, সুভযাত্রা । বস গুলো মোটামুটি নিম্নমানের এবং সিটিং হলেও প্রচুর যাত্রি উঠায় । আর এজন্যই টিকেট কাটা সত্তেও আমাদের দাড়িয়েই যেতে হলো সাটুরিয়া বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত ।
তাই এই রাস্তায় পার্সনাল গড়ি  নেয়াই ভালো, তবে অন্য একটি ওয়ে আছে এর হাত থেকে বাঁচার তা হলো - নবিনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে যে কোন (ভালোদেখে) মানিকগজ্ঞের বাসে করে যেতে হবে কালামপুর বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত ভাড়া আনুমানিক ১০ বা ১৫ টাকা । এর পর কালামপুর থেকে সিএনজি করে পৌঁছে যাবে সাটুরিয়া বাজারে, ভাড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা ।

বালিয়াটি জমিদার প্রাসাদ
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি - বাহির থেকে






বালিয়াটি জমিদার বাড়ি আর মাত্র ১০ টাকার পথ -

সাটুরিয়া বাজারে নেমে একনজরে দেখার চেষ্টা করলাম আসলে বাজারটা কত বড়, এরপরেই পেটকে শান্ত করতে চলে গেলাম হোটেলের খোঁজে, ট্যুরের সময় পারাটা মিস্টি আমার ভেবারিট একটা নাস্তা । কেন এটা আমার ভেবারিট তা পঞ্চগড় ভ্রমন পোস্টে একবার ব্যাখ্যা করেছি তাই আর করছি না । তিনজন মিস্টি পারাটা নাস্তা বিল মাত্র ১০০ টাকা ।
সাটুরিয়ার বাজার থেকে জমিদার প্রাসাদ মাত্র ১০ টাকার ভাড়ার দুরুত্ব তাই কোন ব্যাটারি চালিত রিকসা নিয়ে সহজেই যাওয়া যায় ।
সাটুরিয়া ইউনিয়ান পরিষদের পাশেই মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে ১৮ শতকের "গোবিন্দ রাম সাহা" পরিবারের সাক্ষ্য বহনকারি জমিদারবাড়িটি । এই সেই জমিদার পরিবার যাদের হাত ধরে গড়ে উঠে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি - ভিতর থেকে


জমিদার বাড়িতে প্রবেশ-

মুল ভবনের সামনে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আমাদের দুপুর করে ফেলি আর ততক্ষনে ব্যাপক জনসমগমও হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশাল টিমও এসেছে ভ্রমনে । এসেই প্রবেশের টিকেট কাটলাম জনপ্রতি ২০ টাকা করে । তবে আমরা আর সাথে সাথেই প্রবেশ করলাম না, কারন গেটে এসে জানতে পারলাম শুক্রবার দুপুর ১২:৩০ থেকে ২:৩০ পর্যন্ত মুল ফটক বন্ধ থাকে । আর আমরা যেহেতু সবাই জুম্মার নামাজ আদায় করবো তাই তাই আর ভিতরে প্রবেশ করলাম না, জামিদার বাড়ির পাশেই একটি দাখিল মাদরাসা এবং তার পাশেই মসজিদ । আমরা আসে পাশের গ্রাম পায়ে হেটে ঘুরে এসে এই মসজিদে নামাজ পড়লাম এবং দুপুরের খাবার খেয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম ।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি - মুল ফটক


অসম্ভব সুন্দর স্থাপনা কৌশল এবং কারুকাজ দেখেই বুঝ যায় কত বড় জমিদারের সৃতি বহন করছে এই প্রাসাদ । ভিতরে ৭ টি ভিন্ন ভিন্ন ভবন এবং বেশ কয়েকটি কুয়া এবং একদম শেষে একটি ঘাট বাঁধানো পুকুর । সাতটি ভবনের প্রথম ৪টি মুল ভবন যার একটিকে জাদুঘর বানানো হয়েছে আর বাকি গুলোতে প্রবেশ নিষেধ এবং পিছনের তিনটি ভবনই অন্দরমহল এগুলোতেও প্রবেশের তেমন স্কোপ নেই 😄 । ভাবনের পাশ দিয়ে নানা রঙের ফুলের বাগান সত্যিই প্রাসাদের সোন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে ।

ফুল বাগান থেকে
ফুল বাগান থেকে
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
অন্দর মহলের সামন ভাগ
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
দুটি অন্দরমহলের মাঝের গলি
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
ফুল বাগান থেকে নেয়া
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
ফুল বাগান থেকে নেয়া
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
প্রাসাদের পছনের পুকুর
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
পুকুর পাড়ের বাগান থেকে



একদিনের জন্য ঢাকার পাশেই বন্ধুদের নিয়ে অথবা স্বপরিবারে ঘুরের আসার জন্য অন্যতম সুন্দর জায়গা, অন্তত জ্যামের শহর থেকে কিছুক্ষনের জন্য হলেও মুক্তি মিলবে ।

ফিরে আসা-

সন্ধার আগেই সাটুরিয়া বাস স্ট্যান্ডে ফিরে এসে, অনেকক্ষন বাসের জন্য অপেক্ষা করলাম, বাস পাই তো সিট পাইনা আবার কখনো ওঠার চান্সই পাইনা । অনেকে বললো শুক্রবারেই এমন হয়, ঢাকা থেকে বেশি মানুষ আসার জন্য এমন হয়, অন্যদিন স্বাভাবিক থাকে । বাসে উঠতে না পেরে তাই আমরা ভিন্ন পথে এগোলাম । এখান থেকে সিনএজিতে করে কালামপুর তার পর বাসে করে ঢাকা কিন্তু না আমরা তা করলাম না, পথে আমরা একটা পিকআপ ভ্যান পেয়ে গেলাম আর ড্রাইভারকে বলতেই আমাদের ওঠার অনুমতি দিলো সারা রাস্তা আনন্দ করে ফিরলাম ।

ট্যুর থেকে ফেরা
পিকআপ ভ্যানে করে ফেরা



সবথেকে খারাপ লাগার বিষয়-









আমাদের সবার ইচ্ছা থাকে ইতিহাস-ঐতিহ্য এর সাথে জড়িত, সুন্দর কোন স্থান ভ্রমন করার এবং লার্নিং করার, কারো নামের সাথে কারো নামের যোগ সম্পর্ক দেখতে বা জানতে নয় । এটা আমাদের অত্যন্ত নিম্ন মানসিকতার বহৃিপ্রকাশ । এই বাজে রোগটি আমাদের ভারত উপমহাদেশেই সবচেয়ে বেশি, এর থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থাও নিতে হবে কর্তৃপক্ষের ।  আমাদের ইতিহাস সংস্কৃতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের, এগুলো নোংরা করা, বাজে কথা বার্তা লিখা, যেখানে সেখানে বোতল চিপসের প্যাক ফেলা সত্যিই লজ্জাজনক । আর সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে এই সব কাজ কোন অশিক্ষিত ব্যাক্তি করে না, করলেও তাদের সংখ্যা কম । জমিদারবাড়ির দেয়ালে দেয়ালে অসংখ্য মার্কারে দাগ যার বেশির ভাগ ইংরেজি বর্ণমালা এবং বাক্য, এগুলো অশিক্ষিতদের কাজ নয়, কূপ গুলো কোল্ডড্রিংস আর চিপস এর প্যাকে ভরা, ভেবে দেখেন আমরা কারা বেশি এগুলো খাই ? ভ্রমনে আমাদের অবশ্যই এগুলো পরিহার করতে হবে ।

প্রতিটা ভ্রমন আমাদের সুন্দর কিছু শিক্ষাদিক ।

Start Work With Me

Contact Me
Gausul Azum
+8801521467422
Dhaka, Bangladesh